বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০১৪

পাখির সাথে কইবো কথা ফিরলে এবার বাড়ি -নিমু মাহবুব


অফিসে আজ আসার পরে 
ভিষণ খুশি মন্টা
যাবো আমি গাঁয়ের বাড়ি
বাজলে ছুটির ঘন্টা।

কাজের ফাঁকে মনোমাঝে
স্বপ্নরা দেয় উঁকি
গাঁয়ের ছেলে ফিরবে গাঁয়ে 
মনটা অচিন সুখি।

বন-বাদাড়ে ঘুরে ঘুরে 
খুঁজবো ঘুঘুর বাসা
পরান ভরে দেখব সেথায় 
পাখির স্বপ্ন আশা।

সুপারি গাছের খোরলেতে 
দোয়েল পাখির ঘর
বাচ্চারা তার কেমন আছে 
উঠছে কিনা ফর।

ঘরের পিছের নাটাই গাছে 
মৌমাছিদের বাসা
মধু যেমন খাঁটিরে ভাই 
তেমনি বাসা খাসা।

মান্দার গাছের মাথার উপর 
বুনছে বাসা বক
বক পাখিদের ঝগড়া দেখা 
আমার বড় শখ।

বাঁশঝাড়ের কঞ্চির ভিতর 
ডাহুক ভাইরা থাকে
সকাল-বিকাল সময় মেপে 
মিষ্টি সুরে ডাকে।

পাখির সাথে কইবো কথা 
ফিরলে এবার বাড়ি
বন্ধুরা সব ভালো থাকিস 
আপাতত আড়ি।

রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৪

বিয়ে নিয়ে ঝামেলা!! -নিমু মাহবুব

 
মগরিবের নমাজের সময় হইবে হইবে বলিয়া। চকবাজার লক্ষীপুরস্থ ছিদ্দিকিয়া লাইব্রেরীর সামনে দাঁড়াইয়া ষষ্ঠশ্রেণীর বাংলা পুস্তকে সুলেখক মো: লুৎফর রহমান সাহেবের একখানা উপদেশমূলক গল্প ফ্রী পড়িতেছিলাম। আকস্মিক কাহারো মুখে নিজের নামে ডাক শুনিয়া মাথা মোবারাকের গাত্রোথ্থান করিয়া দেখিলাম সহকর্মী নিজাম ভাই মসজিদে তশরিফ নিতেছেন। আমিও পদ চালাইলাম। লক্ষীপুর শাখার একজন সহকর্মীকে দেখাইয়া নিজাম ভাই বলিলেন ইনাকে চিনেন কিনা। বলিলাম বিস্তর; ওনার বাসায়ও একদিন গিয়াছিলাম। খাইয়াও থাকিবো হয়তোবা। গলায় শ্লেষ মাখাইয়া এবং একগাল হাসিয়া বলিলেন, ‍হুম! যাইবাইতো। শশুরালয়ের প্রতি কিঞ্চিত ইঙ্গিত করিয়া বলিলেন, যাহার যাইবার জায়গা কোথায়ও নাই সে সর্বস্থানে ঢুঁ মারিয়া থাকে। অন্যসময় হইলে মোক্ষম একটা জওয়াব দিতাম। মুয়াজ্জিন সাহেব একামতের সূত্রপাত করিতেছেন বলিয়া তাহা মুলতবি রাখিলাম।

নমাজান্তে নিজাম ব্রাদারের সহিত কি ছওয়াল-জওয়াব হইয়াছিল তাহা আর না জানিলেও আপনাদের অন্তর জমিন মরুভূমির মত দুর্বহ হইবেনা ভাবিয়া ক্ষান্ত হইলাম।